গোপনে রেকর্ড ধারনের বিষয়ে অধিকাংশ গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানেরই কঠোর নীতিমালা রয়েছে। আর কিছু দেশের আইনি বিধিবিধানেই এটা নিষিদ্ধ। যে যাই হোক, আপনি যেসব তথ্যপ্রমাণ চাইছেন, তা পাওয়ার জন্য মাঝেমধ্যে হয়তো এটাই হবে একমাত্র উপায়। এক্ষেত্রে অনুশীলন অপরিহার্য! আপনি হয়তো আপনার বুকে গোপন ক্যামেরা লাগিয়ে নিয়েছেন, কিন্তু তাতে যদি শুধু আকাশ বা মেঝের ছবি দেখা যায়, তাহলে সেই ছবি খুব একটা কাজে আসবে না। যদি শব্দগুলো অস্পষ্ট বা শোনা না যায় তাহলে হয়তো আপনার সময় ও শ্রমটাই নষ্ট হবে। টেলিভিশনের নাটকে যতটা সহজ দেখা যায়, গোপন সাক্ষাৎকার আসলে ততটা সহজ নয়। কারিগরি বিশেষজ্ঞ জ্ঞানের পাশাপাশি, আপনার এমন সাক্ষাৎকার কৌশল জানা থাকতে হবে, যার কারণে লোকজন আপনার সঙ্গে কথা বলতে উৎসাহ পাবে এবং এমন তথ্য দেবে যা আপনার দরকার। নাহলে, আলাপচারিতা এতটাই কৃত্রিম শোনাতে পারে যে তাতে আপনার কৌশলটা প্রকাশ হয়ে যাবে।

আপনার সূত্র যদি সন্দেহ করেন, আপনি তাঁর কথা গোপনে ধারণ করছেন, তিনি হয়তো সঙ্গে সঙ্গে আপনার কাছে তা জানতে চাইতে পারেন। তখন আপনি নিজেকে রক্ষার জন্য মিথ্যা বলতে বাধ্য। এমন পরিস্থিতিতে আপনি গোপনে রেকর্ডের যন্ত্রে ধারণকৃত বক্তব্য ব্যবহারে সমস্যায় পড়বেন। আপনি এই আলাপচারিতা রেকর্ড করার বিষয়টি অস্বীকার করলে, আপনাকে আইনগতভাবে সমস্যায় পড়তে হবে, কেননা আপনি তাঁকে রেকর্ড করা হচ্ছেনা এমন ধারণা দিয়ে কথা বলতে উৎসাহিত করেছেন। জনস্বার্থের বিষয় না হলে ব্রিটিশ গণমাধ্যম আইনজীবীরা এ ধরনের সাক্ষাৎকারের উপাদান ব্যবহারের বিরুদ্ধে। অন্যান্য দেশের আইনজীবীরাও এ বিষয়ে একমত।