যোগাযোগ করতে হবে, এমন সূত্রের তালিকা করে ফেলার পর আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে, অনুমানকে প্রতিষ্ঠিত করতে কিংবা মূল প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর পেতে আপনি কোন কোন সাক্ষ্য-প্রমাণকে আমলে নেবেন। পানি শোধনাগারে আগে যতবার পানির গুণগত মান পরীক্ষা করা হতো এখন তার চেয়ে কম করা হচ্ছে, শুধু সেটুকু প্রমাণ হলেই কি যথেষ্ট হবে, নাকি খুঁজে বের করতে হবে, গুণগত-মান পরীক্ষা কমে যাওয়ার পরিণতি কী হয়েছে? ভালো অনুসন্ধানী সাংবাদিকেরা শুধু নিজের অনুমানের সমর্থনে তথ্যপ্রমাণ যোগাড় করে না; বরং এর বিপরীতটাও খোঁজে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, একজন সরকারি কর্মকর্তা, যিনি আগে থেকেই ধনী, তিনি কোনো কাজ করে দেওয়ার জন্য ১০,০০০ ডলার ঘুষ নেবেন – এমনটি না হওয়ারই কথা। কাজেই চিন্তা করুন যে প্রমাণটি পেয়েছেন সেটি কি সোর্সের মনগড়া (তিনি মনে মনে ভাবছেন এমনই হওয়ার কথা, কিন্তু আসলে তা নয়)? আবারও বলছি, যে প্রমাণ পেয়েছেন তার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নিজেকে বারবার প্রশ্ন করুন: এটি কতটা পূর্নাঙ্গ, এটি কোথা থেকে এসেছে, ভিন্ন ভিন্ন সূত্র কি এর সত্যতা নিশ্চিত করতে পারবে।

এটি মাথায় রাখুন যে, কোনো কিছুর চূড়ান্ত বা অকাট্য প্রমাণ খুঁজে পাওয়ার ঘটনা বিরল। কখনো কখনো আপনি হয়তো শুধু এমন কিছু তথ্যপ্রমাণ হাজির করতে পারবেন যেটি বলবে: অন্য কিছুর চেয়ে এমনটা ঘটার সম্ভাবনাই বেশি। সব কিছুই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করা সম্ভব হয় না। যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এটি স্পষ্ট হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি হয়তো এই প্রতিবেদনটি করতে পারেন। যদিও এটি পুরোপুরি নিশ্ছিদ্র নয়। তবে কিছু বিষয় আপনি কিভাবে তুলে আনবেন, তা নিয়ে আপনাকে খুবই সতর্ক হতে হবে।