প্রতিবেদনের কাজে আপনাকে অনেক মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। এতো কিছুর কথা একসঙ্গে মাথায় রাখার বিষয়টি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠতে পারে। ফলে সূত্রদের একটি ম্যাপের মাধ্যমে আঁকা যেতে পারে এবং ভিন্ন ভিন্ন রঙের তীরচিহ্ন ব্যবহার করে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক বোঝানো যেতে পারে। যদি সন্দেহজনক কিছু নজরে আসে; যেমন, কোনো টিম্বার লগিং ফার্মের প্রধানের সঙ্গে সম্পর্ক আছে বন উজাড় করার পক্ষের কোনো রাজনীতিবিদের। এই সম্পর্কটি পরবর্তীতে আরো ভালো করে খতিয়ে দেখতে হবে, তা মাথায় রাখুন। এটি হয়তো ক্লান্তিকর একটি প্রক্রিয়া হতে পারে। কিন্তু আপনার মনোযোগ ধরে রাখুন আর নিজেকে স্মরণ করিয়ে দিন যে, আপনি সমাজের ওয়াচডগ হিসেবে ভূমিকা পালন করছেন এবং কণ্ঠহীনদের কথা তুলে আনছেন।

মার্ক হান্টার ও লুক সেঙ্গারস কার্যকরভাবে তথ্য মানচিত্র (ডেটা ম্যাপিং) তৈরির এবং তথ্য গুছিয়ে রাখার কিছু কৌশল তুলে ধরেছেন। সেগুলো হচ্ছে:

  • > একটি সময়পঞ্জি বা টাইমলাইন তৈরি করুন, যেখানে বিভিন্ন বিষয়ের বর্ণনা থাকবে। যেমন: তারিখ, স্থান, সেখানে কে বা কারা ছিলেন, তিনি বা তাঁরা কী বলছেন, কী ঘটেছে। এগুলো এমনভাবে গুছিয়ে রাখুন, যাতে যখনই প্রয়োজন তখনই ব্যবহার করতে পারেন।
  • > তথ্য পাওয়ার সম্ভাব্য সূত্রগুলোর একটি তালিকা তৈরি করুন এবং (এবং এই তথ্যগুলো নিরাপদে সংরক্ষণ করুন) । কারো সঙ্গে যোগাযোগের পর তালিকাটি হালনাগাদ করুন এবং আরো কার কার সাথে যোগাযোগ করতে হবে, তা লিখে রাখুন
  • > প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে যোগসূত্র একটি চিত্রের মত করে আঁকুন।
  • > গুরুত্বপূর্ণ নথির তালিকা তৈরি করুন। লিখে রাখুন আপনার কাছে কী আছে এবং আরও কী যোগাড় করতে হবে।
  • > নথিগুলোর সূচি তৈরি করুন। কম্পিউটারে কাজ করলে অনলাইন সংস্করণের জন্য হাইপারলিংক তৈরি করুন।
  • > যে তথ্যগুলোর বিষয়ে আপনি নিশ্চিত হয়েছেন সেগুলো বিশেষভাবে চিহ্নিত (হাইলাইট) করে রাখুন।
  • > অন্য তথ্যগুলো কী পর্যায়ে রয়েছে তা লিখে রাখুন।
  • > নিজের সঙ্গে নোটবুক রাখুন, যখন কিছু মনে হয় বা ভাবনা আসে তা লিখে ফেলুন।